,



সাম্প্রতিক ঘটনার বিচিত্রতা

মো: তৌহিদুর  রহমান  তাহসিন, টাইমস ট্রিবিউন : সাম্প্রতিক সময়ে ২ টা ঘটনা ঘটে গেছে যার ১ টি সককলের জানা আর একটি ফেসবুকে ভাইরাল। মইনুল হোসেন আর আলিয়া ভাট্টির ঘটনা যা নারী সাংবাদিক মহলে সাড়া জাগিয়েছে। হয়েছে কেস,পাননি জামিন। কিন্তু ২য় যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা অনেকেরই অজানা। যদিনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি ভাইরাল না হত আমরা সে সম্পর্কে জানতে পারতাম না।  সেখানে দেখা যায়, সোমবার দিনগত রাত ২টার দিকে রাজধানীর একটি রাস্তায় পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী এক তরুণীকে হেনস্তা করেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য। ভিডিওটিতে দেখা যায়, মধ্য রাত্রিতে সিএনজিতে করে একজন তরুণী তার ব্যাগপত্র নিয়ে বাসায় যাচ্ছেন। চেক করার নামে দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সিএনজি থামিয়ে মেয়েটিকে অশালীন ইঙ্গিতে প্রশ্ন করছেন এবং টর্চ লাইন ব্যাগ পত্রের মধ্যে না ধরে সরাসরি তরুণীর মুখে ধরছেন। তরুণী অসংখ্যবার বলছেন, টর্চ লাইটটা মুখে ধইরেন না, আপনারা আমার ব্যাগ চেক করুন, ফিল্ডিং মারছেন কেনো ? তার জবাবে অপর এক পুলিশ বলছেন, আপনি কোথাকার বিশ্ব সুন্দরী যে ফিল্ডিং মারতে হবে?” এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (পিএমও) দুই পুলিশ সদস্যকে শনাক্ত করে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে ।

কিন্তু এই ঘ্টনাগুলো তুলে ধরা হয় না।এ ঘ্টনাটি কি অনেক ছোট ঘটনা? কেনা এখানে বোধহয় ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করা যায় না। আমরা কি ভুলে গেছি আমাদের কলম চলে গণমানুষের জন্য।জনগন যদি প্রশ্ন করে নারী সাংবাদিক ত্খন কোথাই ছিল যখন নারীকে বেযাদব বলা হল?৷ তার জন্য রাস্তায কেন নামতেছে না ?ছো্ট হয়ে বড় কথা বলতে চায় না তবে আবদার করতে চায় আমাদের নিয়ে কতজনে কতকথা বলতে পারে কিন্তু আমরা কেন মানুষের কথা ভাবছি না।বেশি বলে মানহানির মামলা খেতে চায় না তবে আরও কিছু কথা বলতে চায়।

বহু করেছি আত্মসমালোচনা,এবার এতকথার মুল কথা ২য় ঘটনার ভিলেন নিয়ে বলি যারা বারবার সমালোচিত কিন্তু তাদের ভিতর ভাল মানুষ আছে।যদি না থাকত তবে হইত তিনি রাতের আধারে লাঞ্চিত হতেন কিন্তু সেটি থাকত আমাদের অজানা। আপনারা অনেক সময় বলতে পারেন, একটি মেয়ে এত রাত্রে করে একা একা বাইরে কি করে। এখানে মেয়েটির দোষ। পুলিশ সার্চ করতে পারে। এ জন্য মেয়েটি এরকম খারাপ ব্যবহার করতে পারে না।সার্চ করার  অধিকার আছে,কিন্তু তারা তা করেন নি।উল্টা তর্কে লিপ্ত হয়েছেন । কতিপয় পুলিশ সব সময় রাস্তাঘাটে বিভিন্ন জায়গায় তল্রাশির নামে নাগরিকরে অধিকার হরন করেন যা মোটেই কাম্য নয়।তবে অনেক পুলিশ অফিসার আছে সালাম দিয়ে ভদ্রতার সহিত তার কর্তব্য পালন করে।এটা স্বাধীন দেশ ব্যাক্তির প্রয়োজনে সে যে কোন সময় রাস্তায় বের হওয়ার অধিকার রয়েছে সে ছেলে হোক আর মেয়ে হোক পুলিশ দেখবে এখানে অন্যায় হচ্ছে কিনা- এটা তার কাজ মানুষকে হয়রানি করা তার কাজ নয়। তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য রইল সেলুট। প্রত্যাশা যেন এমন ঘটনা না ঘটে আর কোনদিন ও।

TT/AT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ