,



গোলাপগঞ্জে আমনের বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে হাসির ঝলক -Times Tribune

ফাহিম আহমদ,গোলাপগঞ্জ :: প্রকৃতির চিরাচরিত নিয়মে হেমন্তে সোনালী ধানের মিষ্টি গন্ধে মেতে উঠেছে বাংলার জনপদ। মাঠে মাঠে এখন আমন ধান কাটা ও মাড়াই আস্তে আস্তে শুরু হয়েছে।সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষান-কৃষানীরা। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় নির্বিঘ্নে ধান কাটা-মাড়াই কাজ করছে কৃষক। কৃষি বিভাগের দাবি, ধান উৎপাদনের এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গোলাপগঞ্জে এবার অনেক জমিতেই আমন ধানের চাষ হয়েছে। মাঠে মাঠে পাকা ধান কাটার ধুম পড়েছে। ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক। ইতোমধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। কৃষকের আঙিনা ভরে উঠছে সোনালি ধানে, মুখে ফুটে উঠেছে হাসির ঝলক। ফসলের মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠছে সারা বাড়ি। উঠানে ছড়ানো সোনালি ধান। সাথে আনন্দের বন্যা। কয়েক দিন পরে ঘরে ঘরে হবে নবান্ন উৎসব। কন্যা-জায়া-জননীর ব্যস্ততা এখন দিনরাত।

উক্ত উপজেলার ৩নং ফুলবাড়ী ইউনিয়নের ফুলবাড়ী উত্তরপাড়া গ্রামের কৃষক ছালেক আহমদ আমাদের জানান, তিনি ৩ একর ১৬শতাংশ জমিতে চাষ করেছেন আমন ধান। ধান কাটা শুরু করেছি ফলন ভাল হয়েছে। দামও পেয়েছি ভাল। প্রতি বছর ধান উঠার সময় দাম পড়ে যায়। কিন্তু এবার দাম পড়েনি। এ জন্য কৃষকদের খুব বেশি লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

গোলাপগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার রণকেলী গ্রামের কৃষক আলা উদ্দিন টাইমস ট্রিবিউন কে জানান,বছরের শুরুতে ভাল ধান হয়েছে।আবহাওয়া খারাপ না হলে ভাল আয় হবে আশা করা যাচ্ছে।এবার ধান বিক্রি করে আমার অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারবো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমাদের জানান, এ বছর আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে কৃষকরের ধান কাটা শুরু হয়েছে। কৃষকরা আগামী দুই/তিন সপ্তাহের মধ্যে সব ধান ঘরে তুলতে পারবে। অকালে ভারি বর্ষণে ফসলের কিছুটা ক্ষতি হলেও এ বছর ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

tt/f

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ