,



সিলেটে আসা পর্যটকদের জন্য প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিলেন জৈন্তাপুর থানার ওসি -Times Tribune

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ঈদের ছুটিতে সিলেটে ঢল নামে পর্যটকদের। সারাদেশ থেকে হাজার হাজার পর্যটক ছুটে আসেন সিলেটে। আর সিলেটে তাদের ঘুরে বেড়ানোর পছন্দের তালিকার শীর্ষে থাকে জাফলং। কিন্তু জাফলং যাওয়ার পথে অনেককেই পড়তে হয় পুলিশ আর পরিবহন শ্রমিকদের হয়রানিতে। এবার এই হয়রানি বন্ধের ঘোষনা দিয়েছেন জৈন্তাপুর থানার নবাগত ওসি শ্যামল বনিক। পর্যটকবান্ধব তার এই ঘোষনা প্রশংসা কুড়াচ্ছে সকল মহলে।

সিলেট থেকে জাফলং যাওয়ার পথে জৈন্তাপুর এলাকায় প্রায়ই সড়কে গাড়ি আটকে হাইওয়ে পুলিশকে চাদাবাজি করতে দেখা যায়। চাহিদা অনুযায়ী টাকা না পেলে গাড়ী থেকে যাত্রী নামিয়ে হয়রানি, গাড়ি আটকে রাখা, এমন ঘটনা ছিল নিত্যদিনের। এছাড়া রাস্তায় পরিবহন শ্রমিকদেরও চাদাবাজি ছিল ওপেন সিক্রেট।

কিন্তু  এবার জাফলং যাওয়ার পথে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর অংশে যাতে কোন পর্যটক হয়রানির শিকার না হন সে উদ্যোগ নিয়েছেন জৈন্তাপুর থানার নবাগত ওসি শ্যামল বনিক। সড়কের জৈন্তাপুর অংশে কাগজপত্র আর গাড়ি তল্লাশির নামে পর্যটকদের হয়রানি না করার অনুরোধ জানিয়েছেন হাইওয়ে পুলিশকে। এছাড়া পরিবহন শ্রমিকদের সাথেও বৈঠক করে তিনি রাস্তায় সবধরণের চাদা উত্তোলন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

শুক্রবার সকালে ওসি শ্যামল বনিক তার ফেসবুক একাউন্টে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন। ঐ স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেছেন, জৈন্তাপুর থানা পুলিশ পর্যটকদের সেবায় কাজ করছে। সড়কে কোন পর্যটক যানবাহন বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোন সমস্যায় পড়লে থানায় ০১৭১৩-৩৭৪৩৭৭ নাম্বারে ফোন দিয়ে অবগত করতে। পুলিশ পর্যটকদের সমস্যা সমাধানে  প্রস্তুত আছে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

এ ব্যাপারে ওসি শ্যামল বনিক সিলেটভিউকে বলেন, জৈন্তাপুর হয়ে পর্যটকদের জাফলং যেতে হয়। জৈন্তাপুর পাড়ি দেওয়ার পথে যাতে পর্যটকরা যাতে কোন হয়রানির শিকার না হন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জৈন্তাপুর উপজেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র লালাখাল যেতেও কোন পর্যটক কোন সমস্যায় পড়লে ফোনে পুলিশকে অবগত করা হলে তাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। পর্যটনবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যেই এবার জৈন্তাপুর থানা পুলিশ এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

tt/f

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ