,



মাসুমকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর তৃনমূল কর্মীর খোলা চিঠি | Times Tribune

চট্টগ্রাম ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারন সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুমকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এক তৃনমুল কর্মীর খোলা চিঠি তুলে ধরা হলো :-

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা আপা।

বিষয়ঃ দুঃসময়ের নৌকার সারথি তৃনমূলের কন্ঠ দিদারুল আলম মাসুম কে নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধ করা প্রসঙ্গে।

আপা,
আপনি কমবেশি তৃনমুলের খবর রাখেন সেটা প্রমানিত নতুন করে প্রমান করার কিছু নাই। নেত্রী আজ তৃনমূল খন্দকার মোস্তাকদের কড়াল থাবাই অসহায়। নিজের অসহায়ত্ব থেকে এই অধম আপনার সুনজরের আশায় সাহায্য চেয়ে কিছু কথা লিখতে বসলাম। জানিনা ভুলবশত আপনার নজরে পড়বে কিনা এই অধমের লেখাটা। যদি কিছু ভুল হয়ে থাকে অথবা ভুল বলে থাকি তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আপা। আমরা অবগত আছি আপনি ক্ষমাশীল।

আপা ছাত্রজীবন থেকে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড সাথে জড়িত চট্টগ্রাম ১৪ নং লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারন সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুম। একাধারে রাজনীতিবিদ, ক্রীড়া সংগঠক, সমাজ সেবক দিদারুল আলম মাসুম ছাত্র জীবন থেকে ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাথে জড়িত।

আওয়ামী রাজনীতির ঘোর দুঃসময়ে সারা দেশের যে কয়েকজন তৃনমুলকে আকড়ে ধরে পড়েছিল দিদারুল আলম মাসুম তাদের একজন।
ছাত্রজীবন থেকে সর্বমহলে প্রশংসিত দিদারুল আলম মাসুম ছিলেন নির্বিক সাহসী। অন্যায়ের সাথে আপোষ করার মনোভাব ছিলনা বলে সবার কাছে পছন্দের পাত্র হয়ে উঠেন দিদারুল আলম মাসুম।
আপা ৯০ এর স্বৈরাচারী আন্দোলনে সম্মুখে থাকা দিদারুল আলম মাসুম এরশাদ সরকারের রোষানলে পড়েছিল।

নেত্রী ১৯৯৪ সালে যেদিন চট্টগ্রামের বাঘা বাঘা নেতা নীরব ছিল সেই সময় সিটি কলেজ ছাত্রলীগে থাকাকালীন যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমের জনসভায় বাঁধা দিয়ে পন্ড করে আলোচনায় উঠে আসেন আওয়ামী পরিবারের নির্ভিক এই কর্মী।
পরে ১৯৯৬ সালে বিএনপি পাতানো নির্বাচনের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে উঠলে সেটাতেও যোগদান করে সাহসীকতার সাথে সম্মুখে ছিল।
১৯৯৭-৯৮ সালে তিনি সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হয়ে ছাত্রলীগকে ঐক্যবদ্ধ করেন।

২০০১ সালে যখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসে বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু চৌধুরীর দেওয়া মামলায় ৩ বছর কারা নির্যাতন ভোগ করে দিদারুল আলম মাসুম।

বার বার জামাত বিএনপির নির্যাতনের স্বীকার দিদারুল আলম মাসুম ২০১৩ সালেও নগরীর লালখান বাজারের মোড়ে হেফাজতের তান্ডবে বুকচিতিয়ে দাড়িয়ে প্রতিবাদ না করলে পরিস্থিতি হয়তো অন্য রকম হতো। সেদিন ৮ এপ্রিল মাসুম তার লাইসেন্স করা শর্টগান দিয়ে প্রতিরোধ করলে হেফাজতের আড়ালে জামাত বিএনপি পিছু নেই।

আপা সেদিন আপনার একান্ত সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল ভাই আপনার অনুমতি নিয়ে সাহস জুগিয়েছে মাসুম কে। যা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসাবে সেই সময় আপনি অবগত আছেন।

তার একদিন পর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী মাসুমের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নিজের বক্তব্য প্রধান করে।
আপা সেদিন সারা চট্টলাতে দিদারুল আলম মাসুম নামে বিজয় ধ্বনি উড়ালেও আজ ষড়যন্ত্র কারীরা বসে নাই। সেই ছবি দিয়ে সন্ত্রাসী অস্ত্রবাজ সাজাতে পায়তারাতে লিপ্ত তারা।
আপা সেদিনের সেই দিদারুল আলম মাসুম কে হারিয়ে দিতে আজ একজোট হয়েছে সকল ষড়যন্ত্র কারীরা পরাজিত শক্তি। সাথে আমাদের কিছু ভাই মিলে একটার পর একটা নীল নকশার পসরা সাজিয়ে বসে আছে মাসুম নামক আওয়ামী লীগের এই সাহস সৈনিক কে হারিয়ে দিতে।

নেত্রী দলের সুসময় আজ এরপর ও কারাগারে যেতে হয়েছে ষড়যন্ত্র কারীর ষড়যন্ত্রে কোনো দোষে নয়।
আপা এ অবস্থায় আওয়ামী লীগের এই নির্বিক কর্মী ক্লান্ত অসহায় দৃষ্টি তে আপনার পানে তাকিয়ে আছে। তিনি এখনো বিশ্বাস করে আমার নেত্রী বটবৃক্ষ, অসময়ে ষড়যন্ত্র কারী আমাকে ঘিরে ধরলে তিনি ছায়া হয়ে দাড়িয়ে আমাকে রক্ষা করবে। আপা ভাবা যাই কতটা আস্থাশীল হলে এত ঘাত প্রতিঘাতের পরও আপনার প্রতি অবিচল বিশ্বাস?
আপা আপনি তৃনমূলের পক্ষে থাকেন সব সময় সেটা আমাদের বিশ্বাস। আপা দলের ক্রান্তিলগ্নে দলের জন্য জীবনের তোয়াক্কা না করে ঝাপিয়ে পড়া দিদারুল আলম মাসুম আপনার সুনজরের অপেক্ষায়।

অতএব, মানবতার নেত্রী শেখ হাসিনা আপা তৃনমূলের মাসুমকে ষড়যন্ত্র কারীদের ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচাতে একমাত্র আপনি পারবেন। চারদিকে খন্দকার মোস্তাকদের জয় জয়কার হলেও আপনার সুনজর পারে তৃনমূলের এই দিদারুল আলম মাসুম কে সুন্দর ভাবে বাঁচতে সাহায্য করতে। আপা সমগ্র চট্টলার তৃনমূল আপনার দিকে তাকিয়ে তৃনমূল রক্ষা করতে মাসুম কে নীল নকশা থেকে রক্ষা করে তৃনমূলের প্রান সঞ্চার করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবেন সে আশাবাদ ব্যাক্ত করছি।৷ আপা মাসুমরা না বাঁচলে বাঁচবেনা তৃনমূল। করবেনা কেউ প্রতিরোধ অপশক্তির বিরুদ্ধে।

ইতি
তৃনমূলের ক্ষুদ্র একজন কর্মী।

ফেসবুক আইডি থেকে নেওয়া।

 

TT/F

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ